এতে বলা হয়েছে, সনদধারী ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের শনাক্তে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে তিন মাসে ২০ হাজারের বেশি অভিযোগ জমা পড়েছে। ভুয়া সনদে যারা চাকরি নিয়েছেন তাদের নামেও অভিযোগ আসছে।
রণাঙ্গনের সম্মুখসারির যোদ্ধারা অভিযোগ জানিয়ে এসব আবেদন করেন। সেই সাথে জেলা-উপজেলা থেকে প্রতিদিনই প্রচুর পরিমাণে আবেদন আসছে।
এগুলো যাচাইবাছাইয়ে হিমশিম খাচ্ছে মন্ত্রণালয় ও জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা)। যাচাইয়ে প্রাথমিকভাবে সরেজমিন শুনানি হবে।
ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদ বাতিল ও প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকাভুক্ত করতে সম্প্রতি জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিল (জামুকা) ও বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টি বোর্ড ও নির্বাহী কমিটি পুনর্গঠন করেছে অন্তর্বর্তী সরকার।
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ধারণা, সারাদেশে ৯০ হাজার ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা আছে। জামুকার মতে, ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা লক্ষাধিক।
১৯৯৪ সালে বিএনপির আমলে করা তালিকায় ৮৬ হাজার মুক্তিযোদ্ধাকে মূল ভিত্তি ধরে সামনে এগোতে চায় জামুকা। বর্তমানে দেশের সনদধারী মোট মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ২ লাখ ৮ হাজার।
এদিকে, সরকারের ডাকে সাড়া দিয়ে স্বেচ্ছায় ১২ অমুক্তিযোদ্ধা তাদের সনদ বাতিলের আবেদন করেছেন।